শেরপুরে নিখোঁজের পরদিন নাঈম ইসলাম লাবন (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার বেতমারী ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নের সুবর্ণচর গ্রামের একটি লেবু বাগান থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। লাবন স্থানীয় মাসুদ আলীর ছেলে ও ঘুঘুরাকান্দি মডেল একাডেমীর ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
জানা যায়, মঙ্গলবার শিক্ষার্থী লাবন প্রতিদিনের মতো স্কুল থেকে ফিরে বিকেলে বন্ধুদের সাথে খেলতে বাড়ি থেকে বের হয়।
এরপর সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও সে বাড়ি না ফেরায় নানাবাড়িসহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি।
পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বুধবার দুপুরে বাড়ি থেকে প্রায় ৩শ গজ দূরে একটি লেবু বাগানে লাবনের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাবনের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের স্বজনরা জানান, লাবনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সিগারেটের আগুনে ঝলসানো ছিল। তার দুই কানে রড ঢুকিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। অণ্ডকোষ থেঁতলে দিয়েছে। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।